সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাট তল্লাশিতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার গুলশানের দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ফ্ল্যাট দুটির ভেতরে থাকা মালামালের সঠিক তালিকা বা ইনভেন্টরি প্রস্তুত করতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মশিউর রহমান আদালতে এই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আবেদন জানান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আলমগীর এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, গুলশান-২ এর ৬৬ নম্বর রোডের ১১ নম্বর প্লটে সাবেক এই মন্ত্রীর ৩৭৪৭ এবং ৩৮৩২ বর্গফুট আয়তনের দুটি বিশাল ফ্ল্যাট রয়েছে। আদালতের পূর্ব আদেশ অনুযায়ী ফ্ল্যাট দুটি বর্তমানে দুদকের পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট) রিসিভার হিসেবে দেখভাল করছেন। তবে ফ্ল্যাট দুটি তালাবদ্ধ থাকায় এবং মালিকপক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় রিসিভারের পক্ষে সেখানে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না।
এই আইনি জটিলতা কাটাতে এবং ফ্ল্যাটের ভেতরের সম্পদের সঠিক হিসাব বের করতেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এখন ফ্ল্যাট দুটিতে আইনগতভাবে প্রবেশ, মালামালের তালিকা প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় তল্লাশি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে দুদক।
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের বিরুদ্ধে দেশ ও বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশে তার রাজকীয় স্থাবর সম্পত্তির খবর প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। দুদকের এই তল্লাশি ও সম্পদ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়াটি সেই অনুসন্ধানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

















