ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিললেও বৃষ্টিতে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি

বৃষ্টি আর দমকা হাওয়া সঙ্গী করে বুধবার সকালটা শুরু হয়েছে রাজধানীবাসীর। কদিনের ভ্যাপসা গরম থেকে বৃষ্টি রেহাই দিলেও চলাচলের ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে মানুষকে।
বুধবার সকালে বাইরে বের হয়েই বিপত্তিতে পড়েছেন অফিসযাত্রী আর শিক্ষার্থীরা। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচলে ধীর গতি দেখা গেছে। অনেক সড়কে যানজটও তৈরি হয়েছে।
ছাতা ছাড়া বের হয়ে বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য কাছাকাছি দোকান বা ভবনের নিচে দাঁড়াতে দেখা গেছে অনেককে। ছাতা নিয়েও দমকা বাতাসে বৃষ্টির পানিতে অনেকেই ভিজেছেন।
সকালে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে শিক্ষার্থীরা রিক্সায় চড়ে স্কুলে গেছে অর্ধেক ভিজেই। বৃষ্টির কারণে চালকরাও ভাড়া বাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন অনেক যাত্রী।
রাজধানীতে টানা বৃষ্টির ফলে কারওয়ান বাজার এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ওয়ারী, বকশিবাজার, রামপুরা, এলাকায় জলাবদ্ধতায় মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারি বর্ষণের আভাস দিয়েছিল আগেই। মঙ্গলবারের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি (৪৪-৮৮ মিমি) থেকে অতি ভারি (৮৮ মিমির বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
অতি ভারী বর্ষণের কারণে দেশের কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেছেন, ‘আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা চলতে পারে। এই সময়ের মধ্যে তাপপ্রবাহ ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।’








