রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: দ্রুত এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে তা জানতে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন কক্ষে বৈঠক হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, সড়কে এআই ক্যামেরা কতগুলো বসানো হয়েছে, বাকিগুলো কবে নাগাদ বসানো হবে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন।
এছাড়া রাজধানীর পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনগুলো সরানোর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্দেশনাও দিয়েছেন।
রুমন বলেন, “রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।”
রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊধর্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষামূলকভাবে গত ৭ মে থেকে ঢাকার বিভিন্ন ট্রাফিক পয়েন্টে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এআইভিত্তিক ক্যামেরাগুলোতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে।
এছাড়া গেল মাসের মাঝামাঝিতে রাজধানীর মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে চালু থাকা সিগন্যাল লাইট পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির পিটিজেড ক্যামেরা বসিয়ে কাজ করার কথা বলছে পুলিশ।
সফটওয়্যারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আইন লঙ্ঘন হলেই সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে গাড়ির মালিককে।







