মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়: উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু

ঘরের মাঠে এবার ইতিহাস গড়ল মেক্সিকো। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত সূচনা করেছে স্বাগতিক দেশ। ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে ৮৫ হাজারেরও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় তারা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম মেক্সিকো তাদের কোনো উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল।
ম্যাচের মূল ঘটনাবলী
কিনিয়োনেসের দ্রুততম গোল: ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলে মেক্সিকো। মাত্র ৯ম মিনিটে ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনিয়োনেস চমৎকার ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এটি ২০০৬ সালের পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দ্রুততম গোল।
হিমিনেজের ব্যবধান দ্বিগুণ: প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রাখে মেক্সিকো। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমিনেজ দারুণ এক গোল করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। সাম্প্রতিক সময়ে নিজের বাবাকে হারানো হিমিনেজ গোল করার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এবং তার চোখে অশ্রু দেখা যায়।
কনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের রেকর্ড: ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মেক্সিকোর হয়ে মাঠে নামেন তরুণ ফুটবলার গিলবার্তো মোরা। এর মাধ্যমে মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি।
কার্ডের ছড়াছড়ি ও মাঠের উত্তেজনা
পুরো ম্যাচজুড়ে ছিল চরম উত্তেজনা ও ফাউলের ছড়াছড়ি। ম্যাচটিতে মোট ৩টি লাল কার্ড দেখতে হয়েছে দুই দলের খেলোয়াড়দের। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপর্যয়: ম্যাচের ৪৯ মিনিটে স্ফেফেলো সিথোলে এবং ৮৩ মিনিটে থেম্বা জওয়ানে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ জনের দলে পরিণত হয়।
মেক্সিকোর লাল কার্ড: ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে (৯০+১ মিনিটে) মেক্সিকোর ডিফেন্ডার সেজার মন্তেসও লাল কার্ড দেখেন।

















