পোশাক কারখানা ছুটির পর মহাসড়কে বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের আরও ৮৩৩টি কারখানায় ছুটি হয়েছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে থেমে থেমে চলছে যানবাহন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান জানান, সোমবার ৬২টি, মঙ্গলবার ৪৪৪টি ও বুধবার ১ হাজার ৪১৪টি কারখানা ছুটি হয়েছে। বৃহস্পতিবার আরও ৮৩৩টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হলো। তবে ৮১টি কারখানা আংশিক খোলা।
কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণার পর সকাল থেকেই মহাসড়কে শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের ঢল নামতে থাকে। এরপর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বোর্ডবাজার ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
সকালে বোর্ডবাজার এলাকা থেকে বাসে ওঠা এক যাত্রী জানান, ভোগড়া বাইপাসে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পর নিরুপায় হয়ে হেঁটে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তাকে কাপাসিয়াগামী বাসে উঠতে হয়েছে।
চান্দনা চৌরাস্তায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের ইনস্পেক্টর তারিকুল ইসলাম জানান, সকালের দিকে তীব্র যানজট থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে এখনো যানবাহন থেমে থেমে চলছে।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় বুধবার রাতভর বৃষ্টির কারণে তীব্র যানজট দেখা গেছে। সকালে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও চন্দ্রা ও এর আশপাশের এলাকায় এখনো যানবাহন চলছে ধীরগতিতে।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, রাত থেকেই আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সকালের তুলনায় বর্তমানে গাড়ির চাপ কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

















