দেশে আগামী ছয় মাসের টিকার পর্যাপ্ত মজুত আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বর্তমানে দেশে সব ধরনের টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী ছয় মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “যক্ষ্মা, বিসিজিসহ নয়টি অত্যাবশ্যকীয় টিকার সবগুলোই এখন আমাদের হাতে রয়েছে। স্টকের পাশাপাশি পাইপলাইনেও পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহ আছে। ফলে আগামী ছয় মাস টিকা নিয়ে কোনো সংকট হবে না।”
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “২০২০ সালের পর থেকে নিয়মিত ভ্যাকসিন না দেওয়ায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল। ভ্যাকসিনের কোনো স্টক ছিল না। তবে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে গ্যাভি (Gavi) ও ইউনিসেফের সহায়তায় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি এবং ইতোমধ্যে সারাদেশে টিকাদান শুরু হয়েছে।”
স্বাস্থ্য খাতের লোকবল সংকট নিরসনে বড় ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী জানান, সরকার শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চীনের কুনমিং মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ‘চায়না বাংলাদেশ জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালুর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মন্ত্রী বলেন, “চীন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। এই দীর্ঘমেয়াদি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণেই স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চীন থেকে আসা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

















