সময়ের জনমাধ্যম

বগুড়ার শেরপুরে ভাঙা কালভার্টে ভোগান্তি বেড়েছে এলাকাবাসীর

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের পানিসাড়া হঠাৎপাড়া এলাকায় একটি কালভার্ট প্রায় চার মাস আগে ভেঙে গেছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ঝুঁকি নিয়ে ছোট ও মাঝারি যান চলাচল করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় তারা দ্রুত কালভার্টটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শেরপুরের বাসস্ট্যান্ড থেকে নন্দীগ্রাম রোড হয়ে কুসুম্বী ইউনিয়নের কেল্লাপোশীর মেলা হয়ে বিশালপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। এই রাস্তায় জামাইল হাট, খুরতা, বউবাজার, পানিসারাসহ ১২-১৫টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। এলাকার কৃষিপণ্য নিয়েও মালবাহী ট্রাকও চলাচল করে। প্রায় তিনমাস আগে আলুবাহী ট্রাক যাবার সময় ওই সড়কের পানিসাড়া হঠাৎপাড়া এলাকার দিলদার ড্রাইভারের বাড়ির সামনে কালভার্টির একপাশ ভেঙে যায়। এরপর থেকে পথচারীদের সচেতন করতে তালগাছের ডাল রেখেছে। ওই ভাঙা কালভার্টে পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন। বর্তমানে ওই সড়কে শুধু ইজিবাইক ও ভ্যানের মতো হালকা যানবাহন চলাচল করছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় চার মাস ধরে কালভার্টটি ভেঙে আছে। এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধিদের জানালেও মেরামতের কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ব্যস্ততম এ সড়কের কালভার্টের অন্যপাশটাও যেকোনো সময় ভেঙে পড়বে। দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন চালক ও পথচারীদের সতর্ক করতে কালভার্টের ভাঙা অংশে তালপাতা দিয়ে তাতে কাপড় বেঁধে দেয়া হয়েছে।

এই পথ দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী মজনু নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত চার মাস ধরে কালভার্টের এই অবস্থা। কালভার্ট কবে ঠিক হবে কেউ কিছুই বলতে পারছে না। রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষক হামিদুর জানান, আগে এই কালভার্টের ওপর দিয়ে ট্রাক চলাচল করতো। ট্রাকে করে তার জমির বিভিন্ন ফসল বগুড়া শহরসহ রাজধানী ঢাকতেও নিয়ে যেতেন পাইকাররা। কিন্তু এটি ভাঙার পর থেকে আর ট্রাক আসেনা। তাই ছোট ছোট পরিবহনে ফসল নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা।

শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী লিয়াকত আলী বলেন, কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। কালভার্টের বিষয়টির সুরাহা করার চেষ্টা চলছে।

Comments are closed.