চুক্তির আভাস দিয়েও ইরানে নতুন রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো। ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে। এবার ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠানো হবে সেখানে।
কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর কথা ভাবছেন।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম নিউ ইয়র্ক টাইমস এ খবর প্রকাশ্যে আনে। এরপর অন্য মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে বিষয়টি নিয়ে খবর প্রচার করা হয়। খবরে বলা হয়েছে, ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড এবং তার সঙ্গী যুদ্ধজাহাজগুলোকে শিগগিরিই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হবে।
এ নিয়ে মন্তব্যের জন্য বার্তাসংস্থা রয়টার্স হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলেও অফিস সময় পেরিয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ওই অঞ্চলে এখন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন অবস্থান করছে। এই রণতরী এবং তার সঙ্গে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম এমন একাধিক যুদ্ধজাহাজ জানুয়ারিতেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছায়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তি হওয়া দরকার; আগামী মাসের মধ্যে দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে বলেও আভাস দেন তিনি।
‘আমাদের একটি চুক্তি করতে হবে, না হলে তা হবে খুবই ভয়াবহ, খুবই ভয়াবহ,’ সাংবাদিকদের এমন কথা বলেছেন ট্রাম্প।
একইদিন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, সামরিক সংঘাত এড়াতে ট্রাম্প ইরানের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

















