‘ভালো নির্বাচন’ উপহার পাওয়ার আশা জামায়াত আমিরের

নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় কিছু সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুললেও দিন শেষে একটি ‘ভালো নির্বাচন’ উপহার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার পর ঢাকা-১৫ আসনে তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘যদি আমাদের গর্বের সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনী তাদের কর্তব্যটা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে, তাহলে আমরা আশা করি দিন শেষে জাতি একটা ভালো ভোট উপহার পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভালো নির্বাচন হলেই একটা ভালো সরকার তৈরি হবে। যে সরকার এ দেশের মানুষকে নিয়ে ভাববে। যে সরকার হবে জনগণের সরকার। আর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে যদি কোনো সরকার গঠিত হয়, তাহলে ওই সরকার জনগণের দুঃখ-দরদ বুঝবে না এবং জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সেতুবন্ধ থাকবে না।’
বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুরের ৬০ ফিট এলাকার মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াতের আমির। ওই অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তখন সেখানে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজমান দেখেছি এবং ভোটার উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। এরপরে আমি ক্রমান্বয়ে অনেকগুলো সেন্টার দেখার চেষ্টা করেছি। আমি যেখানে যেখানে গিয়েছি (তার মধ্যে) দুই-একটা সেন্টার ছাড়া বাকি সেন্টারগুলোর টার্নআউট ছিল খুবই সন্তোষজনক।’
তবে মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ের বালিকা শাখা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের জোর করে ঢুকে পড়ার অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘এই আসনের সর্বাধিক সংখ্যক ২৬ হাজার ভোট রয়েছে ওই কেন্দ্রে। সেই জায়গায় হঠাৎ করে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কিছু লোক বেপরোয়াভাবে ঢুকে পড়েন। তারা ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এমনকি সেখানে আমাদের যারা ভোটার এবং সমর্থক, তাদেরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।’
খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান বলে জানান। বলেন, ‘আমরা সেখানে গিয়ে দেখলাম যে সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিষয়টা হ্যান্ডেল করছেন। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে বললেন যে ‘‘পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।”
















