ইরানে সামরিক অভিযানে মার্কিনিদের কোনও ধরনের সহায়তা করবে না সৌদি আরব

তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের জন্য রিয়াদ তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানিয়েছেন, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে ফোনালাপ করেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স। ফোনালাপে মধ্যপাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার জন্য সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের প্রচেষ্টার প্রতি সৌদি আরবের সমর্থন নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানা যায়।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে, পেজেশকিয়ান বিন সালমানকে বলেছেন যে তেহরান আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে যুদ্ধ প্রতিরোধকারী যে-কোনো প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানায়। সৌদি ডি ফ্যাক্টো শাসকের এই বিবৃতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একই ধরনের বিবৃতির পরে এসেছে যে, তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দেবে না।
গেলো সোমবার রয়টার্সকে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি এবং সহায়ক যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এর ফলে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করার জন্য অথবা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ট্রাম্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
ইরানে দেশব্যাপী বিক্ষোভ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের যেন হত্যা করা না হয়। পাশাপাশি তিনি ইরানকে নতুন করে পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু না করার আহ্বান জানান।
মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি এই অস্থিরতাকে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে শিয়া মুসলিম ধর্মগুরুদের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সবচেয়ে বড় দমন-পীড়ন হিসাবে বর্ণনা করে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতা এবং মৃত্যুর জন্য নির্বাসিত বিরোধীদের সমর্থিত “সন্ত্রাসী এবং দাঙ্গাবাজদের” দায়ী করেছে।
জেড এস/এস এম


















