শেষ ম্যাচেও দাঁড়াতে পারেনি টাইগাররা, টি-২০তে হোয়াইটওয়াশড

চট্টগ্রামের ব্যাটিং স্বর্গে সম্মান রক্ষার শেষ ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি টাইগাররা। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করা অস্ট্রেলিয়া শেষ ম্যাচেও বাংলাদেশকে দাঁড়াতেই দেয়নি। ৭ উইকেটের এই বিশাল জয়ে টাইগারদের হোয়াইটওয়াশের তিক্ত স্বাদ দিল মিচেল মার্শের দল। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস কোনোভাবেই কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু ইনিংসের প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হয়ে ফিরে যান ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এরপর নাথান এলিসের বলে সাইফ হাসান (১) ক্যাচ তুলে দিলে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পারভেজ হোসেন ইমনও মাত্র ১ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
শুরুর চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর নুরুল হাসান সোহান (৬) এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারী (০) দ্রুত আউট হলে বাংলাদেশের একশর নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান তাওহীদ হৃদয়। তিনি ৫১ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ১৪ বলে ১৬ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভর করে কোনোমতে ১০০ পার করে ৮ উইকেটে ১০৯ রানের পুজি পায় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা ২টি করে উইকেট নেন।
১১০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার ম্যাট রেনশকে (৬) সাজঘরে ফেরান শরিফুল ইসলাম। তবে দ্বিতীয় উইকেটে জশ ইংলিসকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। মার্শ মাঠের চারদিকে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটিয়ে মাত্র ২৮ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬০ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।
১১তম ওভারের শেষ বলে টিম ডেভিড পরপর দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। ম্যাচজয়ী ইনিংসের সুবাদে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ







