ডুবতে যাওয়া রিয়ালের নাবিক হতে নারাজ জিদান

রিয়াল মাদ্রিদের পুরনো ভরসা জিনেদিন জিদানকে ক্লাবে ফেরানোর চিন্তা ছিল কর্তৃপক্ষের। কিন্তু সম্ভাবনার কথা নিজেই নাকচ করেছেন ফরাসি কিংবদন্তি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের শেষ দিকে ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সঙ্গে জিদানের আলোচনা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, তখনকার কোচ জাবি আলোনসোর বিদায়ের পর আবারও বার্নাব্যুতে ফিরবেন তিনি। কিন্তু সেই প্রস্তাবে সাফ না করে দেন জিদান। কারণ, জাতীয় দলে নতুন অধ্যায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশঁমের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছিলেন ফরাসি গ্রেট।
গেল জানুয়ারিতে আলোনসোর বিদায়ের পর দায়িত্ব দেওয়া হয় আলভারো আরবেলোয়াকে। কিন্তু তার অধীনে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে মাদ্রিদ, ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১২ পয়েন্টে, যা পুষিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব। সামনে এল ক্লাসিকো, যেখানে হারের মানেই শিরোপার স্বপ্ন শেষ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও হতাশা। কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে দুই লেগেই হেরে বিদায় নিতে হয়েছে। ফলে টানা দ্বিতীয় মৌসুম ট্রফিশূন্য থাকার শঙ্কা বেড়েছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে আরবেলোয়ার ভবিষ্যৎও।
মাঠের বাইরের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ভীষণ বিশৃঙ্খল। খেলোয়াড়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন প্রকট হয়েছে। বিশেষ করে তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহ্যামকে ঘিরে নানা অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে।
এই সংকটময় সময়ে তাই নতুন কোচ খোঁজার কাজ জোরেশোরেই চালিয়ে যাচ্ছে ক্লাবটি। সম্ভাব্য নাম হিসেবে ঘুরেফিরে আসছে হোসে মরিনহোর নাম, যাকে দিয়ে শৃঙ্খলা ফেরানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, এখনো ক্লাবের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন দিদিয়ের দেশঁম, ইউর্গেন ক্লপ এবং মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি।

















