২৫৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং তার মা শিরিন আক্তারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আগামী ২০ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। নির্ধারিত দিনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় বিচারক সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
দুদকের মামলা অনুযায়ী, আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করেছেন। এই ‘মার্কেট ম্যানিপুলেশন’ বা বাজার কারসাজির মাধ্যমে তারা মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু) এবং তার সহযোগীরা অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর ও অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়েছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি আবুল খায়ের হিরুর কারসাজিকৃত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে সরাসরি বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রতারণামূলক ট্রেডিংয়ে সহায়তা করে সাকিব সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পকেট থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছেন। গত বছরের মে মাসে দায়ের করা এই মামলায় সাকিব ও তার মা ছাড়াও হিরুর পরিবার এবং আরও কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আসামি করা হয়েছে।

















