খামেনি হত্যার পর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ

ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। রোববার (১ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান।
ইসরায়েল কাটজ তার বার্তায় খামেনির মৃত্যুকে ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, “যিনি ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন, তাকেই শেষ পর্যন্ত ধ্বংস করা হয়েছে। আজ ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দুষ্ট শক্তির অক্ষ (Axis of Resistance) এক গুরুতর আঘাত পেয়েছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরায়েল তার লক্ষ্য অর্জনে ভবিষ্যতেও পূর্ণ শক্তি নিয়ে অভিযান অব্যাহত রাখবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া নজিরবিহীন এই যৌথ হামলায় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর রোববার সকালে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে যে, হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রাণ হারিয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে।
খামেনি নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ইরান এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় (গালফ) দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিশ্বনেতারা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছেন।

















