ইরানে হামলা করেছে ইসরায়েল, যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েল ইরানে ‘প্রি অ্যাম্পটিভ’ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও ইসরায়েলের সাথে যোগ দিয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
বিবিসি বলছে, দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ শনিবার সকালে হামলার কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও ইসরায়েলজুড়ে ‘বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ জারিরও ঘোষণা দেন তিনি।
মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছেন, ইরানের ওপর হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের আশপাশে হামলা হয়েছে। রাজধানীর উত্তরের সৈয়দ খানদান এলাকায়ও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম।তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে খামেনি এখন তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তাদের প্রতিবেদকরা ইরানের রাজধানী তেহরানের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া দেখতে পেয়েছেন।

একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও তেহরানের জামহুরি এলাকায় আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স। তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকায় তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। খবরে আরও বলা হয়, রাজধানীর রিপাবলিক এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে তারা তথ্য পেয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ এ হামলাকে ‘প্রিঅ্যাম্পটিভ’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য হুমকি নির্মূলেই’ এ হামলা চালানো হয়েছে।
সিএনএন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই ইসরায়েল এ হামলা চালিয়েছে। তেহরানের বিস্ফোরণের পর ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
















