প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরো আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।
বুধবার জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ছিল আমাদের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের একটি অপপ্রয়াস। এই নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে, যার বেদনা আজও বহমান।
তিনি পিলখানায় শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে ৯৪-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ৯০-এর গণ-আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, গত ১৭ বছর শহীদ পরিবারগুলো বিচার না পাওয়ার যে নিদারুণ যন্ত্রণা ভোগ করেছে, তা বর্ণনাতীত। তিনি ঘোষণা দেন, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে এই বাহিনীর সদস্যরা একাত্ম হয়ে গৌরবময় ইতিহাস গড়েছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ জিয়া এই বাহিনীকে আধুনিক ও পুনর্গঠিত করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করতে কাজ করবে। এছাড়া শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।