সংবিধান সংস্কার পরিষদের জন্য শপথ নেননি বিএনপির এমপিরা

নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নবনির্বাচিতরা এমপি হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। মঙ্গলবার সকালে শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ সিদ্ধান্ত জানান।
হাতে ফর্ম দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এটা এখনও ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ পাঠ করাবেন, সেটা বিধান করতে হবে এবং কোনো এরকম ফর্ম- এটা সংবিধানে নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ফর্মটি তৃতীয় তফসিলে আছে, সাদাটা। এই রকম তখন একটা ফর্ম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদে গৃহীত হওয়ার পরে তখন জাতীয় সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে বিধায় আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে এই পর্যন্ত আমরা এসেছি।’
দলীয় প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশে এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সালাহিউদ্দিন। বলেন, বিএনপি সংবিধান মেনে চলছে এবং আগামী দিনেও চলবে।
পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ডান পাশে ছিলেন খন্দকার মোশাররফ আর বাম পাশে ছিলেন মির্জা ফখরুল।
সামনের সারিতে বসেছিলেন বাম থেকে সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এরপরে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাঝখানে তারেক রহমান, তার পাশে মির্জা ফখরুল ইসলাম, এরপরে মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সবার ডানে আন্দালিভ রহমান পার্থ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে শপথ পাঠ করার পর সবাই শপথপত্রে নিজেদের আসনের নাম লিখে সই করেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিব কানিজ মওলা।
এর আগে সোমবার সংসদ সচিবালয় জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা প্রথমে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নেওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।

















