লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে ব্যর্থ সরকার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়: মির্জা ফখরুল

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এমন কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এটাতে খুব উদ্বিগ্ন। সরকারের একটা ব্যর্থতাই বলব যে তারা অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি এবং এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সেইরকম উন্নত হয়েছে বলে মনে হয় না। তবে আমি আশাবাদী, আমি মনে করি যে নির্বাচন চলাকালীন সেটা ইমপ্রুভ করবে।’
ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিএনপির এই নেতা বলেন, ক্রিকেটের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রশ্ন জড়িত আছে, আমাদের দেশের সম্মান জড়িত আছে। আমাদের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা হয়েছে। আমরা মনে করি, এটা আমাদের দেশকেই অপমান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে আমি মনে করি ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের যে সিদ্ধান্ত, সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত। কিন্তু একইসঙ্গে আবার এটাও মনে করি, ছোটখাট বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই সমাধান করাই হলো বেটার।
ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন ইস্যু নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের কমিটমেন্ট আছে। আমরা তিস্তা-পদ্মা এবং অভিন্ন নদী যতগুলো আছে, সবগুলোর ব্যাপারেই আমরা ভারতের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব এবং তাদের কাছ থেকে পানি হিস্যা আদায় করব।
মির্জা ফখরুল বলেন, পারস্পরিক সম্মানবোধ রেখে সব রকমের আমার দাবি আমরা আদায় করার চেষ্টা করব। আমরা যদি আমরা তাদের সঙ্গে ঠিক সঠিকভাবে ডিপ্লোম্যাটিক আচরণ করতে পারি, তাহলে তাদেরও বিরূপ আচরণ কমে যাবে।
বিএনপিকে একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই দেশে যা কিছু ভালো, সবকিছু কিন্তু বিএনপির অর্জন এবং যে সংস্কার, একদলীয় গণতন্ত্র থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে আসা, প্রেসিডেন্সি ফর্ম থেকে পার্লামেন্টারি ফর্মে আসা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, সবই বিএনপি করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি যে বিএনপি নিঃসন্দেহে সেলফ সাফিশিয়েন্ট একটি রাজনৈতিক দল। অতীতে এককভাবেই সরকার চালিয়েছে, সরকারে ছিল এবং সবচেয়ে ভালো কাজগুলো বিএনপি করতে সক্ষম হয়েছে।
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক এবং বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


















