ভারতের স্পিকারসহ তিন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজ্জু এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শেরিং তোবগের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
বিএনপি সরকারের শপথ গ্রহণের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, সাক্ষাৎকালে ওম বিড়লা ভারতের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাৎকালে দুই নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
একই দিনে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজ্জু এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকগুলোতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মালদ্বীপ: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজ্জু দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
ভুটান: প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বিদ্যুৎ, বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশি প্রতিনিধিদের এই শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

















