নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল রোববার। মাঠের লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড বরাবরই ভারতের কঠিন প্রতিপক্ষ হলেও, সমর্থকদের কাছে এই মহারণ ছাপিয়ে এখন বড় আলোচনা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাঠের বিনোদন।
প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্বকাপের সমাপনী মঞ্চে কে থাকছেন, তা নিয়ে ছিল ব্যাপক কৌতুহল। অবশেষে আইসিসি বড় চমক হিসেবে পপ তারকা রিকি মার্টিনের নাম ঘোষণা করেছে, যা দর্শকদের মাঝে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করেছে।
লাতিন পপ সংগীতের এই কিংবদন্তি তার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকে মোহিত করতে সুপরিচিত। ক্রীড়া জগতের বড় আসরে রিকি মার্টিনের পারফর্ম করার ইতিহাস বেশ পুরোনো ও সমৃদ্ধ। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘লা কোপা দে লা ভিদা’ তাকে বিশ্বব্যাপী আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
সেই আসরে তার পরিবেশনা ও নাচের ছন্দ স্টেডিয়ামজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি করেছিল, তা আজও ফুটবল ও সংগীতপ্রেমীদের মনে অমলিন। এমনকি ২০১০ বিশ্বকাপের থিম সং হিসেবে শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ আসার আগে পর্যন্ত রিকি মার্টিনের গানই ছিল সমর্থকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
মিলেনিয়াল থেকে শুরু করে জেন-জি—সব প্রজন্মের কাছেই রিকি মার্টিন সমানভাবে জনপ্রিয়। ‘লিভিন লা ভিদা লোকা’ বা ‘মারিয়া’-এর মতো কালজয়ী গানগুলো তাকে বিশ্ব সংগীতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
দশক পার হয়ে গেলেও তার গানের আবেদন ও মঞ্চে উপস্থিতির জাদুকরী ক্ষমতা বিন্দুমাত্র কমেনি। ধারণা করা হচ্ছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই মেগা ফাইনালে রিকি মার্টিন তার পুরোনো সেই জাদু ফিরিয়ে আনবেন এবং দর্শকদের উপহার দেবেন এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা।