তৃতীয় ওয়ানডেতে অজিদের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। আর ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বিপদেই পড়েছিল। সেখান থেকে হৃদয়–লিটন আর মোসাদ্দেকের ব্যাটে চড়ে ঘুঁরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তাদের তিনজনের ফিফটিতে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়েছে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
ইনিংসের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও উইকেট নেওয়ার মতো ধারাবাহিক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে মাঝের ওভারগুলোতে নিজেদের ইনিংস গুছিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
শুরুর ওভারে সৌম্যর আউটের পর রেনশোর জোড়া আঘাতে ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও পরে তিন ব্যাটসম্যানের ফিফটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। লিটন দাস এক দফা তীব্র গরমে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেছেন। তার সঙ্গে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। দুর্দান্ত খেলতে থাকা মোসাদ্দেক সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও ৮৩ রানে ডারশুইসের বলে আউট হন।
অজিদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন জেভিয়ার বার্টলেট, ম্যাট রেনশ। একটি নেন বেন ডারশুইস।
৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৭৪ রান করেছে বাংলাদেশ। ৫১ বলে ১ ছয় ও পাঁচ চারে ৫৬ রানে অপরাজিত মোসাদ্দেক। ৭৮ বলে দুই ছক্কা ও চারটি চারে ৫৮ রানে অপরাজিত লিটন। ৮৮ বলে আট চারে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন হৃদয়।
ফেরার সিরিজে ব্যাট হাতে আলো ছড়াচ্ছেন মোসাদ্দেক হোসেন। সিরিজে দ্বিতীয়বার ৪৩ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেছেন তিনি। এই সিরিজের প্রথম ম্যাচ দিয়ে প্রায় চার বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরেছেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো কিছু করতে না পারলেও এবার দলকে টেনে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন।
আজকের ম্যাচে একাদশে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গায় মেহেদী হাসানকে নেওয়া হয়েছে। আর নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হচ্ছে পেসার শরিফুল ইসলামকে।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশেও দুটি পরিবর্তন। ম্যাথু শর্ট আর নাথান এলিস বাদ পড়েছেন। তাদের জায়গায় ফিরেছেন বেন ডারশুইস ও অলি পিক।