যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ফ্লোরিডার টাম্পা এলাকায় জানাজায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি।
জানাজা শেষে বৃষ্টির মরদেহ একটি ফিউনারেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি ৭ মে অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠাবে। সেখানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।
আগামী শনিবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে মরদেহটি ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, মায়ামি কনস্যুলেটের সাথে সমন্বয় করে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে।
নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এবং নিহত অন্য আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ দেশে পাঠানোর সমস্ত খরচ বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।
জামিল লিমনের মরদেহ গত ৪ মে ঢাকা পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে লিমনের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে গত ২৪ এপ্রিল বেশ কয়েকটি কালো আবর্জনার ব্যাগ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ তথ্য মেলে।
লিমনের মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পর ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছের একটি ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে কয়েকজন জেলে একটি কালো পলিথিন ব্যাগ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগের ভেতরে বৃষ্টির মরদেহের অংশ পায়।