ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল বলেন, ‘খুব দেরি হলেও এটা ১৬ কিংবা ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি, এর পরে যাবে না।’
প্রেস সচিব বলেন, ‘শপথের প্রস্তুতির কাজ শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে। আজ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি কাজগুলো খুব দ্রুতগতিতে চলছে। প্রধান উপদেষ্টা কালকেও কাজ করেছেন, আজকেও করছেন। টিম কাজ করছে, ক্যাবিনেট কাজ করছে।’
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এমন প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, ‘এটা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ ১৭ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন হবে।’
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বা তার মনোনীত ব্যক্তি। তিন দিনের মধ্যে এটি না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এখন সিইসিকে দিয়ে শপথ পড়াতে হলে গেজেট প্রকাশের পর তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু করা যায় কি না, তা নিয়েও ভাবা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যদি কোনো বিকল্প প্রস্তাব আসে, তাহলে এর আগেই সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। নতুন সরকারও দায়িত্ব নেবে।
নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা ৯টি আসনে জয়ী হয়েছে।