নাটোরের গুরুদাসপুরে গরুবাহী নসিমন ও বাসের সংঘর্ষে তিন গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিন জন।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুরুদাসপুর নয়াবাজার এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহিদুল ইসলাম।
নিহতরা হলেন বড়াইগ্রামের লক্ষীপুর এলাকার আব্দুর রহমান, আক্কাছ আলী ও তার ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, সকালে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী একটি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি গরুবাহী নসিমনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের নিচে চাপা পড়ে আব্দুর রহমানের মৃত্যু হয়। এ সময় কয়েকটি গরুও মারা যায়।
এ দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আক্কাছ আলীর মৃত্যু হয়।
আহত অন্যদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। কিন্তু পথেই প্রাণ হারান জাহাঙ্গীর আলম।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয় পরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধার করে রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আহতদের পরিচয়ও সনাক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’
এদিকে, সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে বাস চালকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে মহাসড়কের নলকা ওভারব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন, যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আমিরুল ইসলাম জানান।
ওসি আমিরুল বলেন, রাতে দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাসটি নলকা ওভারব্রিজের নিচের সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সিরাজগঞ্জ শহর থেকে আসা পণ্যবাহী একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়।
এতে বাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই চালক ও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হয় আরও অন্তত ১০ জন।
পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা হতহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি আরও বলেন, হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন দুটি থানা হেফাজতে রয়েছে।