ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট ও ভোটার সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা থাকলেও নাটোরের নলডাঙ্গায় এখনো প্রশাসনের তেমন কার্যক্রম দেখা যায়নি। এখানে ভোটারদের মধ্যে গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব রয়েছে। ফলে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নলডাঙ্গা উপজেলায় মোট ভোটার প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে নতুন ভোটার রয়েছেন প্রায় সাত হাজার এবং নারী ভোটার প্রায় ৮২ হাজার, যা মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। এত বড় সংখ্যক জনগোষ্ঠীর মধ্যে গণভোট বিষয়ে অবহিত করার জন্য ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম এখনো চোখে পড়েনি।
নতুন ভোটারদের একাংশ জানান, ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও গণভোটের উদ্দেশ্য ও ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের পরিষ্কার ধারণা নেই।
মারুফ নামের নতুন একজন বলেন, ‘আমাদের কোনও প্রশিক্ষণ বা সভায় ডাকা হয়নি। গণভোটে কীভাবে ভোট দিতে হবে, সেটাই জানি না।’
মারুফের মতো এলাকার অন্য নতুন ভোটাররাও একই অভিজ্ঞতার কথা বলছেন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ বা উঠান বৈঠকের মতো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না।
তারা বলছেন, ‘ভোটার সচেতনতা ছাড়া কাঙ্খিত অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। এখনো যদি উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।’
নারী ভোটার বলছেন, গণভোট নিয়ে আলাদা কোনও নারী-কেন্দ্রিক সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। কীভাবে ভোট দিতে হবে তার বিষয়ে এখনো কোনও ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়নি তাদের।
জাহেদ বেগম রুহি নামের এক নারী ভোটার জানান, ‘নারীদের জন্য কী সুবিধা থাকবে বা সহায়তা কোথায় পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।’
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট সফল করতে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়, ‘ভোটারদের মধ্যে গণভোটের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের পদ্ধতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গণভোট ও ভোটার সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ চলছে। মাইকিং, সভা ও প্রচার কার্যক্রম চলমান। হ্যা