ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে নিজ দেশের দূতাবাসকর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্য এমন পদক্ষেপ নিল।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রদপ্তর বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের রাজধানীতে তাদের দূতাবাস দূর থেকে কাজ করবে। চীন, ভারত, কানাডাসহ বেশ কিছু দেশও তাদের নাগরিকদেরকে দ্রুততম সময়ে ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় কোনও চুক্তি না হলে দেশটিতে সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন।
এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি অঞ্চলে বিশাল সামরিক শক্তিও বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। দুটি বিমানবাহী রণতরী, অসংখ্য যুদ্ধবিমান ও জাহাজের পাশাপাশি বিপুল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের কাছাকাছি রাখা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় দফা পারমাণবিক আলোচনায় বসে। দুই দেশের কর্মকর্তারা ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ অর্জন করেছেন বলে মধ্যস্থতাকারী ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি বলেছেন, দেশে ফিরে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তার পর দুই পক্ষেরই ফের আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভিয়েনায় আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হবে।