সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে বড় ধরনের পতনের মুখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসই। বাজারে তীব্র বিক্রয় চাপের কারণে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক দিনেই ৮৫ পয়েন্ট বা ১.৫১ শতাংশ হারিয়ে ৫,৫৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। আগের কার্যদিবস রোববারেও সূচকটি ২১ পয়েন্ট হারিয়েছিল, ফলে টানা দুই দিনের পতনে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির পর বড় বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ মুনাফা তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে বাজারে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে এবং সূচকের এই বড় পতন ঘটেছে।
সোমবার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচকের পাশাপাশি অন্যান্য সূচকগুলোতেও বড় পতন দেখা গেছে:
লেনদেনে মন্দাভাব
বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ায় আজ ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। দীর্ঘ ১৬ কার্যদিবসের পর এই প্রথম ডিএসইর মোট লেনদেন ১,০০০ কোটি টাকার মাইলফলকের নিচে নেমে এসেছে।
অধিকাংশ কোম্পানির দরপতন
ডিএসইতে আজ লেনদেন হওয়া অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দাম কমেছে। বড় মূলধনী খাত যেমন— ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রকৌশল খাতের শেয়ারগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় চাপ ছিল। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের কারণে সামগ্রিক বাজার মূলধনও আজ বড় অঙ্কে হ্রাস পেয়েছে।
পুঁজিবাজারের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তাদের রিয়েল-টাইম নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং বাজারে যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ওপর কঠোর নজর রাখছে।