যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা ইউনিট। সংস্থাটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের সামনে এখন মাত্র দুটি পথ খোলা আছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তেহরান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে চীন, রাশিয়া এবং ইউরোপের দেশগুলোর অবস্থানের সুরও তেহরানকে সুবিধাজনক অবস্থায় রেখেছে বলে তারা মনে করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে আইআরজিসির গোয়েন্দা ইউনিট জানিয়েছে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিসর এখন অত্যন্ত সীমিত। তাদের মতে ট্রাম্পকে এখন নিচের দুটি পথের যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে:
১. একটি অসম্ভব বা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা।
২. অথবা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে একটি ‘খারাপ চুক্তি’ (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে) মেনে নেওয়া।
ইরানি সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তেহরানের শক্ত অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ওয়াশিংটন যদি সময়মতো অবরোধ প্রত্যাহার না করে, তবে ইরান তাদের পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপের দিকে যাবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার প্রাক্কালে ইরানের এই কঠোর বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।