আজ এক ঐতিহাসিক লড়াইয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২১তম এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী চীনের মুখোমুখি হচ্ছে লাল-সবুজের মেয়েরা। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগেই বড় চমক দেখিয়েছেন বাংলাদেশ দলের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার। অভিজ্ঞতার চেয়ে কৌশলকে প্রাধান্য দিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন তিনি।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় চমক অভিজ্ঞ গোলরক্ষক রুপনা চাকমার অনুপস্থিতি। তাকে বেঞ্চে রেখে পোস্ট আগলানোর গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তরুণ মিলি আক্তারকে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চীনের ফুটবলারদের উচ্চতার কথা বিবেচনা করেই মিলিকে বেছে নিয়েছেন কোচ। রক্ষণাত্মক কৌশলে অতি সাবধানী বাটলার আজ মাঠে নামছেন পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে। রক্ষণভাগের প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবেন শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু ও নবীরন খাতুন। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের গতিশীল আক্রমণ রুখে দিয়ে গোল হজম না করাই যে বাংলাদেশের প্রাথমিক লক্ষ্য, তা এই ফরমেশনেই স্পষ্ট।
মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতি-আক্রমণ (কাউন্টার অ্যাটাক) গড়ার দায়িত্ব থাকছে চার নির্ভরযোগ্য সেনানির ওপর—মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও উমেলাহ মারমা। তাদের মূল কাজ হবে রক্ষণকে সহায়তা করা এবং সুযোগ বুঝে বল স্ট্রাইকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া। চীনের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের বিপক্ষে লড়াই করতে সামনে একাকী লড়বেন স্ট্রাইকার শামসুন্নাহার জুনিয়র। এদিকে, সুইডেন প্রবাসী আনিকা রানিয়াকে নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে প্রবল কৌতূহল থাকলেও তাকে শুরুর একাদশে রাখা হয়নি; কোচ তাকে হয়তো বদলি হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন।
বাংলাদেশের একাদশ
গোলরক্ষক: মিলি আক্তার।
ডিফেন্ডার: শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু ও নবীরন খাতুন।
মিডফিল্ডার: মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, উমেলাহ মারমা।
স্ট্রাইকার: শামসুন্নাহার জুনিয়র।