ইরান ইস্যুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে আলোচনার ঘোষণা দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে চীনের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল নয় তার দেশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার নিজের চীন সফর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
চীনের উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে আমাদের কারো সাহায্যের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আমরা যেকোনও উপায়েই জয়ী হব—সেটি শান্তিপূর্ণভাবেই হোক বা অন্য কোনোভাবে।’
বাণিজ্য সংঘাত, ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ এবং অন্যান্য মতপার্থক্য নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলমান। এই অস্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দীর্ঘ ছয় মাস পর দেশ দুটির শীর্ষ নেতারা প্রথমবারের মতো সরাসরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা যখন এক প্রকার স্থবির হয়ে আছে, সেই মূহূর্তেই চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেহরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের রপ্তানি করা তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা বেইজিং।
গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর যে অস্থিতিশীল অবস্থা শুরু হয়েছিল, তা নিরসনে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরানকে চাপ দিতে বেইজিংয়ের প্রভাব কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুধবার বেইজিং পৌঁছাবেন এবং বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৭ সালের পর এটিই হবে তার প্রথম চীন সফর।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের আলোচনার অনেক বিষয় রয়েছে। সত্যি বলতে, ইরানকে আমি সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত মনে করি না, কারণ ইরান এখন পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।