অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ইবির সহকারী অধ্যাপক সাদিয়ার মৃত্যু

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসাইন বলেছেন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, আসমা সাদিয়া রুনার গলার ডান পাশে গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। ধারালো ছুরি বা কোনো ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কারণে ওই ক্ষত হয়েছে। এতে গলার বড় একটি রক্তনালী কেটে যায় এবং সেখানে প্রচুর রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় ছিল। এটি তার মৃত্যুর প্রধান কারণ।
ডা. ইমাম হোসাইন বলেন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বুকে, পিঠে, পেটে ও হাতে আঘাত রয়েছে। তবে এসব আঘাত গভীর নয় এবং এগুলোর কারণে তার মৃত্যু হয়নি। হামলার সময় নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি এসব আঘাত পেয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় আসমা সাদিয়া রুনাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

















