সন্ধ্যার মধ্যেই বৈশাখী ভাতার টাকা পেতে পারেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। চলতি বছরের বৈশাখী ভাতার সরকারি আদেশের (জিও) পর ভাতার অর্থ ছাড় করা হয়েছে এবং তা অনুমোদনের জন্য চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসে পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরের মধ্যে অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হলে সন্ধ্যার মধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা পৌঁছে যেতে পারে।
ভাতার পরিমাণ ও পরিসংখ্যান মাউশি সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা বাবদ মোট ১৮১ কোটি ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৮ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মধ্যে: স্কুল পর্যায়ের জন্য: ১২৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৭৬ টাকা। কলেজ পর্যায়ের জন্য: ৫২ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার ১১২ টাকা।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল জানিয়েছে, তারা নিয়মিত চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) মোহাম্মদ মনির হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা আশা করছি আজই শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতার মেসেজ পাবেন। কারিগরি কোনো কারণে আজ না পেলে আগামী বুধবারের মধ্যে সবাই ভাতার টাকা হাতে পাবেন।”
ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ও দ্রুত সময়ে নিশ্চিত করতে সরকার বর্তমানে ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনলাইন অনুমোদন প্রক্রিয়া চালু করেছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনে বিল দাখিল করার পর তা যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ছাড় করা হয়। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছ ও সহজতর হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে এই ভাতার টাকা জমা হবে, যা উৎসবের আগে শিক্ষকদের মাঝে স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

















