সংসদে যাচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা

জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সরাসরি দেখা এবং সংসদীয় গণতন্ত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে এবার গ্যালারিতে বসার সুযোগ পাচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিশেষ আবেদনের প্রেক্ষিতে স্পিকার সংসদে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন বরাদ্দ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ গ্যালারিতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চতর পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের জন্য আরও ১০০টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্পিকারের অনুমোদনের ফলে এখন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনের সুযোগ পাবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সংসদ পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান দান করা। পাঠ্যবইয়ের বাইরে রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ কেন্দ্রবিন্দু সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জন তাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে সহায়তা করবে।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে নৌবিহারে যেতেন যেন তারা রাষ্ট্রের সম্পদ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারে। সেই চেতনা থেকেই আমি চাই আজকের ‘জেনজি’ বা নতুন প্রজন্ম রাষ্ট্র সম্পর্কে জানুক এবং রাজনীতি সচেতন হয়ে উঠুক।”
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে যদি আমরা সংসদীয় রীতি ও রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন করতে পারি, তবেই তারা ভবিষ্যতে যোগ্য নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থেকে আইন প্রণেতাদের বিতর্ক ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। সচেতন নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে এই পদক্ষেপকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

















