লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যত কী

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ইরানের সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছে ইসরায়েল।
কিন্তু বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে তীব্র বোমা হামলা চালায়। এযাবৎকালে এটাই লেবাননে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা।
এদিন ১০ মিনিট ধরে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ওপর ভারী বোমবর্ষণ করেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে রাজধানী বৈরুতে। সেখানে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা হামলায় বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন।
ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পাওয়া গেছে হাস্যোজ্জ্বল পরিবারের ছবি, ছড়িয়ে থাকা কাপড়চোপড়, অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকা শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ। রাজধানীর কেন্দ্রের এত কাছাকাছি এলাকায় এমন ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ আগে কখনো দেখেনি লেবাননবাসী।
আবদেলকাদের মাহফুজ নামের এক ব্যক্তি তার ভাইকে খুঁজতে এসেছিলেন, যিনি ওই হামলায় আহত হয়েছেন।
মাহফুজ জানান, ‘এখানে অনেক মৃতদেহ টুকরা টুকরা হয়ে পড়ে ছিল। কেবল সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লোকজনের কী করা উচিত? আমরা কিছুই করতে পারি না। আমার মনে হয়, যদি আমার হাতে একটি বোমা থাকত, যারা এর জন্য দায়ী, আমি তাদের বোমা মেরে ধ্বংস করে দিতাম। শত্রুরা কোনো দয়া পাবে না।’
লেবাননবাসী দেশটিতে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।

















