রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে নয়, নিজের গুলশানের বাসাতেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নয়, বরং গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব ছোট বাসাটিতে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। বর্তমানে তাঁর রুচি অনুযায়ী বাসাটি নতুন করে সাজানো-গুছানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী হলেও ব্যক্তিগত আবাসের প্রতি তাঁর এই আগ্রহের কারণেই তিনি সরকারি বাসভবন যমুনায় স্থায়ীভাবে উঠছেন না। তবে রাষ্ট্রীয় কার্যাদি ও সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য যমুনা ভবনটি ব্যবহৃত হবে। আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সকাল ১০টা থেকে তিনি যমুনা ভবনে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ঢাকায় ফেরার পর থেকেই তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে সপরিবারে বসবাস করছেন। এই বাড়িটির বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে; ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তাঁর সহধর্মিনী খালেদা জিয়াকে বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছিল বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা।
গত বছর এক আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু বাড়িটির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছে হস্তান্তর করেন। গুলশানের এই বাড়ির ঠিক পাশেই অবস্থিত ‘ফিরোজা’, যেখানে তাঁর মা খালেদা জিয়া দীর্ঘকাল অবস্থান করেছেন।

















