পাঁচ এপ্রিল থেকে মাঠে থাকবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা

আসন্ন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের মাঠে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধ এবং নির্বাচনি আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণে এবার ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনি এলাকায় অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ভোটের চার দিন আগে অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে মাঠে নামবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। নির্বাচনের পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট সাত দিন তারা সক্রিয় থাকবেন।
ইসি জানায়, বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩—প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ১০ জন করে মোট ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ইতিমধ্যে প্রদান করা হয়েছে। তারা মূলত নিচের কাজগুলো সম্পাদন করবেন:
তাৎক্ষণিক বিচার: ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’-এর আওতায় আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ।
সমন্বয়: বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে সমন্বয় করে শান্তি বজায় রাখা।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ থেকে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি উপজেলায় ২ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করলেও, ভোটের মূল লড়াই এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।

















