তপ্ত রোদে শান্ত লিটনের উইলোবাজিতে লড়াকু সংগ্রহ টাইগারদের

ম্যাচের শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে দারুণ এক জুটি গড়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস দলকে টেনে নিলেন শঙ্কামুক্ত অবস্থানে। লিটনের সেঞ্চুরি না হলেও শান্ত ঠিকেই তিন অঙ্ক ছাড়িয়ে গেলেন। বৈশাখের তপ্ত রোদের মাঝেও তাদের উইলোবাজি উপভোগ করেছেন দর্শকরা।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ২৬৫ রান করেছে বাংলাদেশ। ১১৯ বল খেলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেছেন শান্ত। অন্যদিকে ৯১ বলে ৭৬ রান এসেছে লিটনের ব্যাটে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন উইল ও’রর্কি।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে গিয়েই ধাক্কা খায় টাইগাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইল ও’রর্কিকে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন শূন্য রানে থাকা সাইফ হাসান। আগের ম্যাচে আগ্রাসী ফিফটি করা তানজিদ হাসান তামিম এবার দুই অঙ্কেই যেতে পারেননি। ও’রর্কির বল টাম্পে টেনে বোল্ড হয়ে তিনি ফেরেন ৫ বলে ১ রান করে।
৯ রানে ২ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে থাকেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। সৌম্য শুরুটা করেছিলেন কাভার ড্রাইভে। কিন্তু আউট হয়ে যান থিতু হয়ে। ২৬ বলে ১৮ রান করে ফিরেন সৌম্য।
৩২ রানে ৩ উইকেট হারানোর দলের জন্য ত্রাণকর্তার ভূমিকায় নামেন লিটন আর শান্ত। শান্ত বাউন্ডারিতে মন দিলেও লিটন বেছে নেন প্রান্ত বদলের পথ। প্রথম বাউন্ডারি মারেন তিনি ৬০তম বলে। তবে প্রচুর সিঙ্গেল, ডাবলস নেওয়ায় চাপটা টের পাওয়া যায়নি।
এরমধ্যে দুজনেই তুলেন অর্ধশতক। তাদের জুটি পেরিয়ে যায় শতরানের ঘর। ফিফটির পর আগ্রাসী হয়ে উঠৈন লিটন। ও’রর্কিকে ছক্কা মারার পর বাঁহাতি স্পিনার লিনক্সের বলে জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। ৯১ বলে ৭৬ রান করে তিনি বিদায় নিলে ভাঙে দুজনের ১৬০ রানের জুটি।
সঙ্গীর বিদায়ের প্রভাব পড়েনি শান্তর ব্যাটে। তিনি ঠান্ডা মাথায় পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ঘরে। ১১৪ বলে সেঞ্চুরি তুলার পর আর পাঁচ বল টিকেছেন তিনি। আউট হন লং অনে ক্যাচ দিয়ে।
স্লগ ওভারে ঝড় তুলতে পারেননি ব্যাটাররা। মেহেদী হাসান মিরাজ চেষ্টা করলেও তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে আজ তেজ দেখা যায়নি। ১৮ বলে ২২ রান করে মিরাজ ফিরলেও শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ২৯ বলে ৩২ রান করেন হৃদয়।

















