গাইবান্ধায় পৃথক বজ্রপাতে দুই শিশুসহ চার জনের মৃত্যু

গাইবান্ধার তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুই শিশুসহ চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাংগা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ এবং তার ভাতিজা রাফি (মুজাহিদের ছেলে) রয়েছে। অন্য দুই জন হলেন—সাদুল্লাপুরের কামারপাড়ার মিজানুর রহমান এবং ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরের কৃষক আলী আকবর। এছাড়া ফুলছড়িতে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাংগা ইউনিয়নে দুই শিশু ফুয়াদ ও রাফি বাড়ির বারান্দায় খেলা করছিল। দুপুরে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তারা গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন মিজানুর রহমান নামে এক যুবক। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক আলী আকবরের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, বজ্রপাতে আহত হয়ে হাসপাতালে আসার আগেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতদের পরিবারে বইছে শোকের মাতম।

















